আদা-রসুনের দামে আগুন

রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকলেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না আদা ও রসুনের দাম।সপ্তাহ ব্যবধানে এই দুই নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা। পাইকাররা বলছেন, আমদানিকারকরা আদা-রসুনের সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ঈদের আগে চড়া মসলার বাজারে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

গত কয়েকদিনে সরকারের নানা তদারকিতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৩৩-৩৪ টাকা আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৪-২৬ টাকা কেজি দরে।

তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকা আমদানি করা আদা ও রসুনের দাম আরো বেড়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। পাইকাররা বলছেন কোরবানির ঈদের আগে আদা-রসুনের বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়।কিন্তু আড়তগুলোতে গত সপ্তাহ থেকে আদা-রসুনের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে দেশে মসলার পর্যাপ্ত মজুদ আছে। সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তারপরও আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধির অজুহাতে চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের মসলা। বাজারে এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা। দারুচিনি ৩৩০-৩৯০টাকা; জয়ত্রী ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। জিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৩০-৩৯০ টাকায়।

চালের বাজারে মিনিকেট প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা; আটাশ ৩০-৩২ টাকা আর মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ২৬-২৮ টাকা কেজি দরে।